তথ্যপ্রযুক্তি, বিপিও ও তরুণদের নতুন ঠিকানা

তথ্যপ্রযুক্তি, বিপিও ও তরুণদের নতুন ঠিকানা

সাম্প্রতিক সময়ে তরুণদের মুখে একটি শব্দ বেশ উচ্চারিত হচ্ছে। শব্দটি হচ্ছে ‘বিপিও’ বা বিজনেজ প্রসেস আউটসোর্সিং। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশে এটি এক নতুন সম্ভাবনার নাম। বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত থেকে জানা যায়, বর্তমানে বিশ্বজুড়ে বিপিওর বাজার বছরে ৫০০ বিলিয়ন ডলার। সেখানে ‘বিলিয়ন’ তো দূরের কথা, বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত দখল করতে পেরেছে মাত্র ১৮০ মিলিয়ন ডলার! সুতরাং চোখে আঙুল দিয়ে না দেখালেও বিষয়টি স্পষ্ট যে বিপিও খাতে একটা বিশাল বাজার পড়ে আছে। বাংলাদেশ যদি এই খাতে নজর দেয়, তাহলে তৈরি পোশাক শিল্পের পরই ‘বিপিও’ হবে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সবচেয়ে বড় খাত।

‘ক্যারিয়ার অপরচুনিটিজ ইন বিপিও ইন্ডাস্ট্রি’ শীর্ষক বিভিন্ন সেমিনারে আমরা দেশের ২০টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছি। সবখানেই তরুণদের মধ্যে যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখেছি, তা আশা জাগানিয়া। আমরা লক্ষ করেছি, সব শিক্ষার্থী শিক্ষাজীবনেই আয়মূলক কিছু না কিছু করতে চায়। সেমিনারের পরে অনেকে বলেছে, টিউশনি ছেড়ে তারা আউটসোর্সিংয়ের কাজ শুরু করবে। কেউ বা বলেছে, আউটসোর্সিং নিয়ে তার দীর্ঘদিনের আগ্রহ; কিন্তু কোথাও সুযোগ করে উঠতে পারছে না। আমাদের সামনে এখন কর্তব্য হচ্ছে, এসব উজ্জ্বল তরুণের জন্য সঠিক কাজের সুযোগ করে দেওয়া। বিপিও খাতে সমৃদ্ধ দেশের তালিকায় রয়েছে ভারত, ফিলিপাইন ও শ্রীলঙ্কা। ছোট্ট দেশ শ্রীলঙ্কার আয় ইতিমধ্যেই ছাড়িয়ে গেছে তিন বিলিয়ন ডলার। ভাবতে অবাক লাগে, একই রকম জল-হাওয়ায় বেড়ে উঠে শ্রীলঙ্কা যদি বিপিও খাতে সফল হতে পারে, ভারত যদি সফল হতে পারে, তাহলে বাংলাদেশ কেন পারবে না? এর উত্তর সহজ। এ জন্য এখনই চাই সঠিক পরিকল্পনা। মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের নেতৃত্বে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ অনেক সৃজনশীল কাজ করে চলেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হওয়া দরকার নানা বেসরকারি উদ্যোগ। শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও এটাই সত্য, বাংলাদেশের ১৬ কোটি জনসংখ্যার ১১ কোটির বেশি তরুণ (অনূর্ধ্ব-৩৫)। মোট জনসংখ্যার হিসাবে এ সংখ্যা ৬৫ শতাংশেরও বেশি। বাংলাদেশের একটি ইতিবাচক দিক হচ্ছে, আমাদের এই বিপুলসংখ্যক তরুণ জনগোষ্ঠী কোনো না কোনোভাবে প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত। তাই বলা চলে, প্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের রয়েছে অফুরান সম্ভাবনা। তবে সতর্কতার সঙ্গে এটাও জেনে রাখা ভালো, ১৯৭০ সালে নাইজেরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া একই ধরনের ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ট ব্যবহার করার সুযোগ পেয়েছিল। এতে দক্ষিণ কোরিয়া অর্থনৈতিক শক্তিশালী দেশে পরিণত হয়েছে, কিন্তু নাইজেরিয়া সেই ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ট কাজে লাগাতে না পারায় এখন মুখ থুবড়ে পড়েছে। তবে আমাদের তরুণদের প্রতি আমরা আস্থা রাখতে চাই, তাদের রয়েছে অফুরান সম্ভাবনা, তারা সফল হবেই। আমাদের দেশের শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ নারী। প্রথাগত চাকরির ক্ষেত্রে তাদের যুক্ত হওয়ায় অনেক ক্ষেত্রে নানা প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। বিপিও খাত তাদের জন্য এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। বিপিও খাতের উদ্যোক্তাদের উচিত হবে, শিক্ষিত নারীদের বিপিও খাতে আরো বেশি সংখ্যায় যুক্ত করা। পাশাপাশি আমাদের নারী ও শিশুদের জন্য ইন্টারনেট যেন নিরাপদ হয়, তার জন্যও আমাদের কাজ করতে হবে। ১৬ কোটি জনসংখ্যার এই দেশে ১৩ কোটির হাতে আছে মোবাইল সেল ফোন। এর মধ্যে আবার ছয় কোটি ইন্টারনেট ব্যবহার করে। তরুণরা শুধু বিনোদনের কাজেই ব্যবহার করে না, তারা নানা উদ্ভাবনীমূলক কাজে নিজেদের নিয়োজিত রেখেছে। এখন আমাদের নীতিনির্ধারকদের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত, তরুণ প্রজন্মের কাছে ‘বিপিও’কে আরো জনপ্রিয় করা। কারণ ইউএসএ, ইংল্যান্ড ও জাপানে আগামী পাঁচ বছরে ২০ লাখ প্রোগ্রামার প্রয়োজন হবে। কিন্তু তাদের দেশে পঞ্চাশোর্ধ্ব মানুষের সংখ্যা ৫০ শতাংশ ছাড়িয়েছে। ফলে ওই তিনটি উন্নত দেশের তরুণদের সংখ্যা আরো সীমিত হয়ে আসছে। বাংলাদেশ কি পারবে এই সুযোগ কাজে লাগাতে? বিপিও খাতে বিশাল সম্ভাবনা থাকলেও বিপরীতে রয়েছে দক্ষ জনবলের অভাব। দক্ষতার দিকে আমাদের তরুণদের নজর দিতে হবে। আউটসোর্সিংয়ে ভালো করতে হলে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষতার পাশাপাশি ইংরেজি ভাষায়ও দক্ষতা বাড়াতে হবে। শত প্রতিকূলতা ডিঙিয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে চলেছে। বিশ্বব্যাংকের তথ্য মতে, বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই ‘নিম্ন মধ্যম’ আয়ের দেশের কাতারে ঢুকে পড়েছে। এখন লক্ষ্য মধ্যম আয়ের দেশের আসন স্থায়ী করা। এ ক্ষেত্রে অন্যতম সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে বিপিও ইন্ডাস্ট্রি। বাংলাদেশে গার্মেন্ট খাত এখন প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের খাত, যার বার্ষিক আয় ৩৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি। কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হচ্ছে, দেশের আর কোনো খাত থেকেই ‘বিলিয়ন ডলার’ আয় হয় না। তথ্যপ্রযুক্তি খাতেই কেবল সেই সম্ভাবনার আলো উঁকি দিচ্ছে। সরকার ২০২১ সালের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে পাঁচ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, যার মধ্যে শুধু বিপিও খাতেই অর্জিত হবে এক বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশের তরুণদের সম্ভাবনার প্রতি আস্থা রেখে বলতে চাই, এ লক্ষ্য অর্জন অসম্ভব কিছু নয়। আজকের তরুণ প্রজন্ম সফল হলেই সফল হবে বাংলাদেশ।

মূল খবর

Read More
বিপিও সামিট ২৮ ও ২৯ জুলাই

বিপিও সামিট ২৮ ও ২৯ জুলাই

২৮ ও ২৯ জুলাই রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বসছে বিপিও সামিটের দ্বিতীয় আসর। ‘বিপিও সামিট বাংলাদেশ ২০১৬’ শীর্ষক দুই দিনের এই সামিটে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

যৌথভাবে এই সামিটের আয়োজক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীনে নবগঠিত ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর’ এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কলসেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্য)। সম্মেলনে দেশি-বিদেশি তথ্যপ্রযুক্তিবিদ, সরকারের নীতিনির্ধারক, গবেষক, শিক্ষার্থী এবং বিপিও খাতের সঙ্গে জড়িতরা অংশ নেবেন বলে নিশ্চিত করেছেন ‘বাক্য’-এর মহাসচিব তৌহিদ হোসেন। তিনি জানান, এবারের থিম ঠিক করা হয়ে ‘লোকাল এক্সপেরিয়েন্স, গ্লোবাল বিজিনেস।’

প্রযুক্তি ব্যবসা বিশেষ করে আউটসোর্সিং ব্যবসা পরিচালনা, ব্যবসার উন্নয়ন ও বিনিয়োগের আদর্শ দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে বিশ্ব-দরবারে পরিচিত করতে দ্বিতীয়বারের মতো এই সামিটের আয়োজন করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে সরকারের রূপকল্প- ২০২১ বাস্তবায়নে বিপিও খাতের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরা হবে। বিপিও খাতে দক্ষ ও পর্যাপ্ত জনবল তৈরিও এই সামিটের অন্যতম লক্ষ্য।

শিক্ষার্থীরা–মূল খবর

Read More
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে চলছে বিপিও সামিটের অ্যাক্টিভেশন কার্যক্রম

বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে চলছে বিপিও সামিটের অ্যাক্টিভেশন কার্যক্রম

আগামী ২৭ ও ২৮ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে ‘বিপিও সামিট ২০১৬’। সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ কলসেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিংয়ের (বাক্য) যৌথ উদ্যোগে ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে এ আয়োজন। সম্মেলনের প্রস্তুতি হিসাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে অ্যাক্টিভেশন কার্যক্রম। এই ধারাবহিকতায় আরওপাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো অ্যাক্টিভেশন কার্যক্রম। সম্প্রতি অ্যাক্টিভেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়,শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি, উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়, স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এবং নর্দান ইউনিভার্সিটিতে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘ক্যারিয়ার অপরচুনেটি ইন বিপিও ইন্ডাস্ট্রিজ’ শীর্ষক অ্যাক্টিভেশন কার্যক্রমে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইটি সোসাইটি (ডিইউআইটিএস) এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আবদুল্লাহ আল ইমরান, বর্তমান সভাপতি মহিউদ্দিন বাবরসহ অনেকে। সেমিনারে শিক্ষার্থীদের বিপিও সামিট ২০১৬ ও বিপিওয়ের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে একটি প্রেজেন্টশন উপস্থাপন বিকরেন বাক্য সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ হোসেন। এ সময় তিনি বলেন, প্রযুক্তির উৎকষর্তায় বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা সব ভালো কাজের সঙ্গে থাকে। আশা করি প্রযুক্তি ক্ষেত্রে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার এই যুদ্ধেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা অগ্রনী ভুমিকা পালন করবে।

শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটির অ্যাক্টিভেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী মফিজুর রহমান, ফ্যাকাল্টি অব ডিজাইন অ্যান্ড টেকনোলজিসের ডীণ প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আব্দুল হালীম শেখ, উপ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক একেএম সিরাজুল ইসলাম, তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইএসএসএল’র সিনিয়র এক্সিকিউটিভ রঞ্জন দত্ত, বিক্রয় ডটকমের সহকারী ব্যবস্থাপক ইয়াছিন আরাফাত।

উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাক্টিভেশন কার্যক্রমে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব বিজনেসের ডীন ড. নজরুল ইসলাম, স্কুল অব বিজনেসের চেয়ারম্যান কাজী তারেক উল্লাহ, সেন্টার ফর ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের পরিচালক মো. আলাউদ্দিন, আইএসএসএল’র সিনিয়র এক্সিকিউটিভ রুম্পা দাস, বিক্রয় ডটকমের সহকারী ব্যবস্থাপক ইয়াছিন আরাফাত। উল্লেখ্য, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং বা বিপিও খাতের অবস্থানকে তুলে ধরার জন্য গত বছর প্রথম বারের মতো আয়োজন করা হয় ‘বিপিও সামিট ২০১৫’। তারই ধারবাহিকতায় এ বছর আগামী ২৮ ও ২৯ জুলাই দ্বিতীয় বারের মতো অনুষ্ঠিত হবে ‘বিপিও সম্মেলন ২০১৬’

–সিনিউজভয়েসডেক্স

Read More
কলসেন্টারের জন্য ৫০০ কর্মী নেবে বাক্য

কলসেন্টারের জন্য ৫০০ কর্মী নেবে বাক্য

তরুণদের মধ্যে পছন্দসই খণ্ডকালীন চাকরির যত ক্ষেত্র আছে, কল সেন্টার তার অন্যতম। বাংলাদেশে মাত্র ৩০০ জন কর্মী দিয়ে শুরু হওয়া কল সেন্টার কয়েক বছর যেতে না-যেতেই কর্মী সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় কয়েক হাজারে। বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিংয়ের (বাক্য) হিসাবমতে, বর্তমানে শুধু তাদের সদস্যই রয়েছে ৮৫টি কোম্পানি, যেখানে কাজ করছেন প্রায় ৩০ হাজার কর্মী। তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অগ্রগতির কারণে দেশে কল সেন্টারের সংখ্যা যেমন বাড়ছে, তেমনি পড়াশোনার পাশাপাশি সুবিধামতো সময়ে কাজের সুযোগ থাকায় প্রতিনিয়তই এই খাতে তরুণদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে বলে জানান বাক্যর সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ হোসেন। তিনি আরও বলেন, কল সেন্টারের সংখ্যা বর্তমানে বাড়তে থাকায় প্রতি মাসেই দেশের বিভিন্ন কল সেন্টারে কয়েক হাজার কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়ে থাকে, যা একটি চলমান প্রক্রিয়া। যার ধারাবাহিকতায় ২৮-২৯ জুলাই প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে অনুষ্ঠেয় বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং (বিপিও) সামিট ২০১৬ উপলক্ষে বাক্যর তত্ত্বাবধানে বিভিন্ন কল সেন্টারে প্রায় ৫০০ কর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

সেমিনারে প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত তরুণদেরকে আইসিটি ও কল সেন্টার নিয়ে ধারণা দেন বাংলাদেশ কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোসিংয়ের (বাক্য) সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ হোসেন। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার-এর সভাপতি ফিরোজ চৌধুরী ও বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াডের সমন্বয়কারী বায়জিদ জুয়েল।

কাজের ধরন: গ্রাহকদের কাছে ফোনে মার্কেটিং করে পণ্য বিক্রি করা অথবা বিক্রয় করা পণ্য সম্পর্কে যেকোনো সেবা নিশ্চিত করা, জিজ্ঞাসা, সমস্যার সমাধান দেওয়া ইত্যাদি কাজগুলোই করে থাকেন কল সেন্টারের প্রতিনিধিরা। কল সেন্টারের কাজগুলোকে মোটা দাগে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। ভয়েস এবং নন-ভয়েস সার্ভিস। ভয়েস সার্ভিসে ফোনে বা অন্য কোনো মাধ্যমে গ্রাহকের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের জিজ্ঞাসা এবং সমস্যার সমাধান দিতে হয়; অন্যদিকে নন-ভয়েস সার্ভিসে অন্যান্য কাজ করা হয়, যেমন ডেটা এন্ট্রি, কাস্টমার ভেরিফিকেশন ইত্যাদি। ভয়েস সার্ভিসে আমাদের দেশের কল সেন্টারগুলো স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক—এই দুই ধরনের সেবা দিয়ে থাকে।

আবেদনের যোগ্যতা: কল সেন্টারের ধরন এবং তারা যে সেবা দেয়, তার ওপর মূলত নির্ভর করে আবেদনকারীর শিক্ষাগত ও অন্যান্য যোগ্যতা। কল সেন্টারের বেশির ভাগ কাজই হলো খণ্ডকালীন, তবে খণ্ডকালীন চাকরির পাশাপাশি পূর্ণকালীন কাজের জন্যও কল সেন্টারগুলোতে প্রচুর লোকবল নিয়োগ দেওয়া হয়ে থাকে। আর তাই কল সেন্টারে খণ্ডকালীন এবং পূর্ণকালীন চাকরির জন্য যোগ্যতাগুলোও আলাদা হয়ে থাকে। কল সেন্টারে খণ্ডকালীন চাকরির জন্য আবেদন করতে আবেদনকারীকে বিশ্ববিদ্যালয় অথবা কলেজে অনার্স বা ডিগ্রি পড়ুয়া হতে হবে এবং পূর্ণকালীন চাকরির জন্য আবেদন করতে আবেদনকারীকে কমপক্ষে স্নাতক হতে হবে। তবে এ ক্ষেত্রে প্রার্থীর পূর্বে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে কাজের কোনো অভিজ্ঞতা থাকলে তাঁকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি আবেদনকারীকে শুদ্ধ করে বাংলায় কথা বলা, সুন্দর উপস্থাপনা, কম্পিউটার ব্যবহার সম্পর্কে মৌলিক ধারণা থাকা, স্মার্ট, উপস্থিত বুদ্ধিমত্তা ইত্যাদি বাড়তি যোগ্যতাও থাকা জরুরি বলে জানান তৌহিদ হোসেন।

আবেদনের প্রক্রিয়া: কল সেন্টারে খণ্ডকালীন ও পূর্ণকালীন চাকরির আবেদনের জন্য আবেদনকারীকে অনলাইনেwww.bikroy.com/bposummitbangladesh এই লিংকে গিয়ে যে পদের জন্য আবেদন করবেন, সেখানে ক্লিক করে যথাযথভাবে নিজের নাম, ফোন নম্বর ও মেইল অ্যাড্রেস দিয়ে জীবনবৃত্তান্ত সংযুক্ত করতে হবে। আবেদন করা যাবে আগামী ২০ জুলাই ২০১৬ তারিখ পর্যন্ত।

নিয়োগ পদ্ধতি: আগ্রহী প্রার্থীদের কাছে থেকে আবেদনপত্র জমা নেওয়ার পর সেখান থেকে বাছাই করা প্রার্থীদের ইন্টারভিউর জন্য ডাকা হবে। সেখানে প্রয়োজনভেদে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া হবে। চূড়ান্তভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রার্থীদের হাতে আগামী ২৭ ও ২৮ জুলাই ২০১৬ তারিখে হোটেল সোনারগাঁওয়ে অনুষ্ঠেয় বিপিও সামিট ২০১৬ অনুষ্ঠানে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হবে।

বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা: কল সেন্টারে কাজের ধরন ও ক্ষেত্রভেদে বেতন ওঠানামা করে। তবে খণ্ডকালীন চাকরির ক্ষেত্রে বেতন ৮ হাজার থেকে ১৫ হাজার এবং পূর্ণকালীন চাকরির ক্ষেত্রে বেতন ১২ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে বলে জানান বাক্যর এক্সিকিউটিভ কো-অর্ডিনেটর আবদুর রহমান শাওন। এ ছাড়া কল সেন্টারে কর্মরত কর্মীরা নিয়মিত বেতনের পাশাপাশি সেলস বোনাস, পারফরম্যান্স বোনাস ইত্যাদি নানা সুবিধা পেয়ে থাকেন বলেও জানান তিনি।

বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ: বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্য)। ২৪২/এ তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, তেজগাঁও-গুলশান লিংক রোড, ঢাকা-১২০৮।
ওয়েবসাইট: www.bacco.org.bd

মূল খবর

তরুণদের জন্য বিপিও নিয়ে সেমিনার

তরুণদের জন্য বিপিও নিয়ে সেমিনার

বিজনেস প্রসেসিং আউটসোর্সিং (বিপিও) সামিট ২০১৬ উপলক্ষে বাক্যর তত্ত্বাবধানে বিভিন্ন কল সেন্টারে প্রায় ৫০০ কর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে । আর এরই জন্য তরুণদের উদ্বুদ্ধ করার উদ্দেশ্য নিয়ে ১৬ জুলাই বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে আইসিটি ডিভিশন ও বাক্যের ব্যবস্থাপনায় এবং ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার (campus2career24.com)-এর আয়োজনে এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত তরুণদেরকে আইসিটি ও কল সেন্টার নিয়ে ধারণা দেন বাংলাদেশ কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোসিংয়ের (বাক্য) সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ হোসেন। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার-এর সভাপতি ফিরোজ চৌধুরী ও বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াডের সমন্বয়কারী বায়জিদ জুয়েল।

‘বাক্য’ সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ হোসেন তরুণদেরকে পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন খণ্ডকালীন চাকরী করে নিজের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য আহ্বান জানান। বাংলাদেশের আইসিটি সেক্টর যে শীঘ্রই বিশ্ববাজারে নিজেদের শক্ত অবস্থান নিশ্চিত করতে যাচ্ছে আর এর ফলে আইসিটি সেক্টরে বিশেষ করে কল সেন্টারে যে সুবিশাল চাকরীর বাজার সৃষ্টি হবে, সে সম্পর্কে ধারণা দেন তিনি।

সেমিনারে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শতাধিক তরুণ উপস্থিত ছিলেন। ক্যুইজে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের বিক্রয় ডট কমের পক্ষ থেকে উপহার প্রদান করা হয়।

মূল খবর

আইটি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী ফিলিপাইন

আইটি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী ফিলিপাইন

ফিলিপাইন সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আমন্ত্রণে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কলসেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিংয়ের (বাক্য) একটি প্রতিনিধি দল সম্প্রতি ফিলিপাইন ৫ দিনের সফর করেছেন। বাক্য’র সভাপতি আহমাদুল হকের নেতৃত্বে এ সফরের উদ্দেশ্য ছিল বিপিও খাতের নানা ধারণা ও অভিজ্ঞতা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মতবিনিময় এবং আগামীতে পারস্পরিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ।

প্রতিনিধি দলে ছিলেন অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব তৌহিদ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব আমিনুল হক, কোষাধ্যক্ষ তানভির ইব্রাহিম, পরিচালক তানজীরুল বাশার প্রমুখ।

সফরকালে প্রতিনিধি দল ফিলিপাইন সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য ও শিল্প বিভাগ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সঙ্গে মত বিনিময় করেন। এসময় অনুষ্ঠিত এক সভায় তারা বিপিও খাত নিয়ে দুই দেশের একসঙ্গে কাজ করার সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেন।

সভায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা যৌথ বিনিয়োগ ও মালিকানার ভিত্তিতে ফিলিপাইনের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তারা ফিলিপাইনের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে এসে বিনিয়োগ ও কাজ করার আমন্ত্রণ জানান।

মূল খবর

BACCO signs agreement with Augmedix BD Ltd.

BACCO signs agreement with Augmedix BD Ltd.

On 20 July, 2016 Augmedix BD Limited signs agreement with BACCO, as the Sponsor for BPO Summit Bangladesh 2016. They assured to give their best support in this event. Minarul Islam, People Performance Manager, Augmedix BD Limited and Wahidur Rahman, Vice President of BACCO signed the agreement.

Representative from BACCO in this ceremony were:

1. Mr. Towhid Hossain, Secretary General

Representative from Augmedix BD Limited in this ceremony were:

1. Mr. Ahmadul Hoq, Managing Director

বিপিও সম্মেলন সফল করতে এডিএন টেলিকমের সঙ্গে চুক্তি

বিপিও সম্মেলন সফল করতে এডিএন টেলিকমের সঙ্গে চুক্তি

এ আয়োজনকে সফল করতে এডিএন টেলিকম লিমিটেডের সঙ্গে বিপিও সামিটের পক্ষে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কলসেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্য)-এর সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ১৮ জুলাই ২০১৬ সোমবার বাক্য কার্যালয়ে ব্যবসায়িক এই সংগঠনের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ কলসেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিংয়ের (বাক্য) যৌথ উদ্যোগে ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আগামী ২৮ ও ২৯ জুলাই ২০১৬ দ্বিতীয় বারের মতো অনুষ্ঠিত হবে ‘বিপিও সম্মেলন ২০১৬’।

এ আয়োজনকে সফল করতে এডিএন টেলিকম লিমিটেডের সঙ্গে বিপিও সামিটের পক্ষে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কলসেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্য)-এর সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ১৮ জুলাই ২০১৬ সোমবার বাক্য কার্যালয়ে ব্যবসায়িক এই সংগঠনের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

এডিএন টেলিকম লিমিটেডের চীফ ফিনান্সিয়াল অফিসার এনায়েত হোসেন ও বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কলসেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিংয়ের (বাক্য) সহ-সভাপতি ওয়াহিদুর রহমান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাক্যের সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ আমিনুল হক, পরিচালক মো. তানজিরুল বাসার, এডিএন টেলিকম লিমিটেডের বিজনেস ডিরেক্টর একেএম সাফিউল আজিম, সিটিও মোহাম্মাদ ফাজলুন নাঈম, সিএমও ফয়সাল বিন রফিক, হেড অফ আইপিটিএসপি অ্যান্ড ভিসি আশরাফ খানসহ অনেকে। চুক্তির ফলে ‘বিপিও সম্মেলন ২০১৬’ সফল ভাবে আয়োজন করতে সহযোগিতা করবে এডিএন টেলিকম লিমিটেড।

উল্লেখ্য, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং বা বিপিও খাতের অবস্থানকে তুলে ধরার জন্য গত বছর প্রথম বারের মতো আয়োজন করা হয় ‘বিপিও সামিট ২০১৫’। এই ধারবাহিকতায় আগামী ২৮ ও ২৯ জুলাই দ্বিতীয় বারের মতো অনুষ্ঠিত হবে ‘বিপিও সম্মেলন ২০১৬’।

মূল খবর

বাক্য প্রতিনিধিদের ফিলিপাইন সফর

বাক্য প্রতিনিধিদের ফিলিপাইন সফর

ফিলিপাইন সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আমন্ত্রণে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কলসেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিংয়ের (বাক্য) একটি প্রতিনিধি দল সম্প্রতি ফিলিপাইন ৫ দিনের সফর করেছেন। BACCO’র সভাপতি আহমদুল হকের নেতৃত্বে এ সফরের উদ্দেশ্য ছিল বিপিও খাতের নানা ধারণা ও অভিজ্ঞতা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মতবিনিময় এবং আগামীতে পারস্পরিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ। প্রতিনিধি দলে আরো ছিলেন অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব তৌহিদ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব আমিনুল হক, কোষাধ্যক্ষ তানভির ইব্রাহিম, পরিচালক তানজীরুল বাশার, সদস্য ফজলুল হক ও নির্বাহী সমন্বয়কারী আবদুর রহমান শাওন।

সফরকালে প্রতিনিধি দল ফিলিপাইন সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য ও শিল্প বিভাগ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সঙ্গে মত বিনিময় করেন। এসময় অনুষ্ঠিত এক সভায় তারা বিপিও খাত নিয়ে দুই দেশের একসঙ্গে কাজ করার সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেন। সভায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা যৌথ বিনিয়োগ ও মালিকানার ভিত্তিতে ফিলিপাইনের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তারা ফিলিপাইনের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে এসে বিনিয়োগ ও কাজ করার আমন্ত্রণ জানান।

পাঁচ দিনের এই সফরে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল ফিলিপাইনে কিভাবে বিপিও খাত এগিয়ে যাচ্ছে সেই বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করেন। ফিলিপাইনে শিক্ষা কারিকুলামে বিপিও বিষয়ে ‘সার্ভিস ম্যানেজম্যান্ট প্রোগ্রাম’ নামে একটি বিষয় পাঠ্য হিসেবে পড়ানো হয়। বাংলাদেশেও শিক্ষার্থীদের মাঝে বিপিওকে আরও ভালোভাবে তুলে ধরার জন্য ফিলিপাইনের অনুরূপ বিষয়টি চালু করার জন্য সরকারের কাছে বাক্য’র পক্ষ থেকে আবেদন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

সফরকালে বাক্য’র প্রতিনিধি দল ফিলিপাইনে অবস্থিত এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) কর্মকর্তাদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। বিপিও শিল্পকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য এডিবি’র অর্থায়নে ও বাক্য’র উদ্যোগে একটি দক্ষতা উন্নয়ন প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

বাক্য’র প্রতিনিধি দল আগামী ২৮ ও ২৯ জুলাই ২০১৬ ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য বিপিও সামিটে অংশগ্রহণের জন্য ফিলিপাইনের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে আমন্ত্রণ জানায়। সফর কালে বাক্য’র প্রতিনিধি দল ম্যানিলাতে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস পরিদর্শন করেন এবং রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল জন গোমেজ (পিএসসি) ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের বিপিও শিল্পকে সামনে এগিয়ে নিতে সবধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিতব্য বিপিও সামিটে ফিলিপাইন থেকে অতিথিদের ঢাকা আগমনের ব্যাপারে সব ধরনের কুটনৈতিক সহায়তা করার আশ^াসও প্রদান করেন তিনি।

মূল খবর

বিপিও সম্মেলন সফল করতে পার্টনারদের সঙ্গে চুক্তি

বিপিও সম্মেলন সফল করতে পার্টনারদের সঙ্গে চুক্তি

দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং বা বিপিও খাতের অবস্থানকে তুলে ধরতে গত বছর প্রথম বারের মতো আয়োজন করা হয় 'বিপিও সামিট ২০১৫'। এই ধারবাহিকতায় এ বছর রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশে (কেআইবি) আগামী ২৮-২৯ জুলাই দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হবে 'বিপিও সম্মেলন ২০১৬'।এ আয়োজনকে সফল করতে পার্টনারদের সাথে বিপিও সামিটের পক্ষে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কলসেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্য) এর সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। গত ১৪ জুন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) সেমিনার হলে তথ্য ও যোগযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরসহ ৬টি ব্যবসায়িক সংগঠনের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।চুক্তি স্বাক্ষর পর্বে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বনমালী ভৌমিক, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়া্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এর পরিচালক এস এম আশ্রাফ আবির, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস) সভাপতি আলী আশফাক, বাংলাদেশ উইমেন ইন টেকনোলজির (বিডাবিস্নউআইটি) পক্ষে ফাহমিদা আক্তার, সিটিও ফোরাম বাংলাদেশের সভাপতি তপন কান্তি সরকার, ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) সভাপতি রাজিব আহমেদ, ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সভাপতি এম এ হাকিম নিজ নিজ সংগঠনের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। আইসিটি অধিদপ্তরের সাথে চুক্তিতে বাক্য এর পক্ষ থেকে স্বাক্ষর করেন সহ-সভাপতি ওয়াহিদ শরীফ ও অন্যান্য সংগঠনগুলোর সাথে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন বাক্য সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ হোসেন।চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আইসিটি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বনমালী ভৌমিক বলেন, সরকার প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করেছে এবং তা সফল করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। বিপিও সম্মেলনের মতো আয়োজন সরকারের কাজকে আরও এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে বলে জানান তিনি।আইসিটি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব হারুনুর রশিদ এ সময় বলেন, আমার প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বিভিন্ন ব্যবসায়িক সংগঠনের সঙ্গে যৌথভাবে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি আয়োজন করছি এবং এতে বেশ সাফল্যও পাচ্ছি। বিপিও সম্মেলন আয়োজনের মাধ্যমে তরুণদের মাঝে আউটসোর্সিংয়ের ভালো দিকগুলো তুলে ধরতে চাই আমরা।বাক্য সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ হোসেন অনুষ্ঠানে বলেন, প্রথমবার সফলভাবে বিপিও সম্মেলন আয়োজনের পর এবার আমাদের প্রতাশ্যা আরও বেশী। তিনি বলেন, তরুণদের মাঝে বিপিওকে ছড়িয়ে দিতে সামিটে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহন করা হয়েছে। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাক্যের পক্ষ থেকে আরও উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আমিনুল হক, কোষাধ্যক্ষ তানভীর ইব্রাহিম, পরিচালক মো. তানজিরুল বাসার প্রমুখ।

মূল সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

BACCO Celebrates World Telecom and Information Society Day (WTISD) - 2016

BACCO Celebrates World Telecom and Information Society Day (WTISD) - 2016

Bangladesh has celebrated ‘World Telecommunication and Information Society Day (WTISD)-2016’ on 17 May 2016 along with other countries of the world. Bangladesh WTISD-2016 has focused on the theme “ICT entrepreneurship for social impact” in accordance with Resolution 68 and as endorsed by ITU Council 2015.

University Activation Program for BPO Summit – 2016 started at KUET

University Activation Program for BPO Summit – 2016 started at KUET

To promote BPO Summit Bangladesh 2016 among the uprising latent talents in Bangladesh, Bangladesh Association of Call Center & Outsourcing (BACCO) has organized its first student activation program for 2016 at Khulna University of Engineering and Technology (KUET) on 18th May, Wednesday.